স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পৌর সভায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠানের দুই দিন পর প্রবেশপত্র পেয়েছেন ঝালকাঠীর রাজাপুর উপজেলার নিজামিয়া গ্রামের মৃত ইছাহাক সরদারের ছেলে মো. হেলাল উদ্দিন।

গত ১৬ ফেব্রয়ারি (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ঢাকার মিরপুর সেনা নিবাসের মিলিটারী ইনস্টিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজিতে দেড় ঘন্টাব্যাপী এই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এর দুই দিন পর গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার দুপুরে পরীক্ষার প্রবেশপত্র হাতে পেয়েছেন রাজাপুরের হেলাল উদ্দিন। লিখিত পরীক্ষার দুই দিন পর প্রবেশপত্র হাতে পাওয়ায় ওই পদে আর পরীক্ষা দেওয়া হয়নি হেলালের।

তার অভিযোগ, একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে তিনি দেশের বিভিন্ন পৌর সভায় শূন্য পদে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে লিখিত আবেদন করেন। আবেদনের পর থেকেই তিনি গভীর মনোযোগ সহকারে লিখিত পরীক্ষার অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকেন।

অন্যান্যরা লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রবেশপত্র পেলেও তিনি পাচ্ছিলেন না। এরপর তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগযোগ করেও যথাসময়ে প্রবেশপত্র পাননি। তাই প্রস্তুতি নিয়েও লিখিত পরীক্ষা দিতে পারেননি। এ জন্য ডাক বিভাগের উদাসিনতাকে দায়ী করেছেন হেলাল।

প্রবেশপত্র ঘেটে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পৌর-১ শাখার উপ-সচিব মো. আব্দুর রউফ মিয়া ওই প্রবেশপত্রে স্বাক্ষর করেন গত ২৮ জানুয়ারি।

এরপর গত ৪ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে ডাক বিভাগের রেজিস্ট্রি ডাকযোগে ওই প্রবেশপত্র পাঠানো হয় আবেদনকারীদের কাছে। অন্যান্যরা যথা সময়ে প্রবেশপত্র হাতে পেলেও নিরাশ হয়েছেন রাজাপুরের হেলাল।

ঝালকাঠী প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, বরিশাল প্রধান ডাকঘরের আরএমএস শাখা থেকে ঝালকাঠীর নিজামিয়ার ডাক যায় লঞ্চ যোগে।

প্রতিদিন লঞ্চ না থাকায় নিয়মিত ডাক পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে বিলম্ব হতে পারে। এটা কোন ইচ্ছাকৃত ভুল নয় বলে দাবী করেন তিনি।

 


Comments