বিদ্যুত সরবরাহে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিসস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) আলাদা এলাকা নির্ধারণ করা থাকলেও শরীয়তপুরে তা মানছে না সংস্থাটি।
এ নিয়ে পল্লীবিদ্যুত সংস্থার সঙ্গে শুর হয়েছে দন্দ্ব। পল্লীবিদ্যুতের কর্মকর্তাদের অভিযোগ, এলাকায় পল্লীবিদ্যুতের লাইন থাকা সত্ত্বেও ওজোপাডিকো তাদের সংযোগ খুঁটি বসাচ্ছে।
এমনকি পল্লীবিদ্যুতের খুঁটি বসাতেও বাধা দেয়া হচ্ছে। সূত্র- চ্যানেল টোয়েন্টিফোর।
জেলার পল্লীবিদ্যুত কর্তৃপক্ষ বলছে, ওজোপাডিকো বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগের আশ্বাস দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
বারবার চিঠি দিয়েও কোন সুরাহা করা সম্ভব হয়নি। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে ওজোপাডিকোর কর্মকর্তারা।
শরীয়তপুর পৌরসভা এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে ওজোপাডিকো। জেলার অন্যসব এলাকা পল্লীবিদ্যুৎ এর আওতায়।
কিন্তু পৌরসভার বাইরে ৬টি ইউনিয়ন অন্তত ২০টি গ্রামে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিচ্ছে ওজোপাডিকোর কর্মকর্তারা বলে অভিযোগ পল্লী বিদ্যুত কর্তৃপক্ষের। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণভাবে বাঁশ বা গাছের সাথে তার ঝুলিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করায় দুর্ঘটনাও ঘটছে।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিটি খুঁটির জন্য দিতে হচ্ছে ৩০-৪০ হাজার টাকা।
ওজোপাডিকোর লাইন ভালো হওয়ায় সবার এই লাইন নিতে আগ্রহ একটু বেশি।
শরীয়তপুর পল্লীবিদ্যুত সমিতির ঠিকাদার মো.আলাউদ্দিন মিয়া বলেন, পল্লীবিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করতে গেলে ওজোপাডিকোর কর্মকর্তারা বাধা দেয়।
শরীয়তপুরের পল্লীবিদ্যুত সমিতির জি এম মো. সোহরাব আলী বলেছেন, ওজোপাডিকো পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে বিদ্যুত সংযোগ দিচ্ছে।
আর আমাদের বাধা দিচ্ছে।
শরীয়তপুরের ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী শ্যামা প্রসাদ মিত্র বলেছেন, পল্লীবিদ্যুত যেখানে লাইন নির্মাণ করছে আমরা সেখানে কোন লাইন নির্মাণ করছি না।
দুই কোম্পানির দণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সাধারণ জনগণ। তাদের প্রত্যাশা দ্রুত এই সমস্যা সমাধান করে নিয়মিত বিদ্যুত সংযোগ পাবে শরীয়তপুরবাসী।



Comments: